কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণার সময় বাড়ালো বিএসইসি

স্টাফ রিপোর্টার, আউটলুকবাংলা ডটকম

প্রতি বছর তিন মাস অন্তর চার বার এই বিবরণী প্রকাশ করতে হয়। অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক শেষ হওয়ার পর ৪৫ দিন পরে দুই প্রান্তিকে ৩০ দিন আর চূড়ান্ত আর্থিক বিবরণী প্রকাশে ১২০ দিন সময় দেয়া হয়। নতুন আদেশের ফলে গত ডিসেম্বরে যাদের অর্থবছর শেষ হয়েছে, তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন তথা লভ্যাংশ ঘোষণায় মে মাস পর্যন্ত সময় পাবে। আবার প্রথম প্রান্তিক প্রকাশে ১৫ মে পর্যন্ত সময় পাবে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক বিবরণী প্রকাশে এক মাস বাড়তি সময় দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

তালিকাভুক্তির আইনকানুন মেনে চলার ক্ষেত্রে শিথিলতা চেয়ে বেশ কিছু কোম্পানি ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেট কোম্পানির অনুরোধের পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সে পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ২৫ পর্যন্ত তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মাসিক-ত্রৈমাসিক হিসাবসহ অন্যান্য তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে শিথিলতা দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল- ইসলাম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ শিথিলতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সুশাসনের অংশ হিসাবে আর্থিক বিবরণীসহ মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশে আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পাশাপাশি কোম্পানি সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্যও প্রদান করতে হয় কমিশনকে।

প্রতি বছর তিন মাস অন্তর চার বার এই বিবরণী প্রকাশ করতে হয়। অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক শেষ হওয়ার পর ৪৫ দিন পরে দুই প্রান্তিকে ৩০ দিন আর চূড়ান্ত আর্থিক বিবরণী প্রকাশে ১২০ দিন সময় দেয়া হয়।

নতুন আদেশের ফলে গত ডিসেম্বরে যাদের অর্থবছর শেষ হয়েছে, তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন তথা লভ্যাংশ ঘোষণায় মে মাস পর্যন্ত সময় পাবে। আবার প্রথম প্রান্তিক প্রকাশে ১৫ মে পর্যন্ত সময় পাবে।

আদেশে বলা হয়েছে, দেশব্যাপী চলমান কঠোর লকডাউনের কারণে কোম্পানির বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের করোনাভাইরাসের প্রভাব এবং বিস্তারের ঝুঁকি মেনে করেছে কমিশন।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের ২০এ ক্ষমতায় কোম্পানিগুলোর মাসিক ত্রৈমাসিক তথ্য সহ অন্যান্য তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে এক মাসের শিথিলতা দেয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) কোম্পানিগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে সমন্বয়য়ের জন্য বলা হয়েছে।

বিএসইসি নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন দেয়া হয়েছে। তালিকাভুক্ত অনেক কোম্পানি ঢাকার বাইরে থেকেও পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির জুন ক্লোজিং সেসব কোম্পানির ক্ষেত্রে আর্থিক বিবরণসহ অন্যান্য বিষয় কমিশনে তথ্য প্রদান করতে হয়।

‘এছাড়া কমিশনের কার্যক্রমের অংশ হিসেবেও বিভিন্ন কোম্পানির থেকে তথ্য চাওয়া হয়। এসব কিছুর ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে এক মাসের শিথিলতা দেয়া হয়েছে। এই সময়ে তথ্য প্রদান না করলেও তা সিকিউরিটিজ আইনের ব্যত্যয় হবে না।’

তিনি বলেন, ‘তবে কোম্পানির মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহলা থাকবে।’