শিক্ষার্থীতে মুখর শিক্ষাঙ্গন

অবসান হলো ৫৪৩ দিনের দীর্ঘ অপেক্ষার। খুললো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গেটের তালা। করোনার সংক্রমণ কমে আসায় আজ সকাল থেকেই রাজধানীসহ সারা দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলো খুলে দেয়া হয়েছে।

দেড় বছর পর ইউনিফর্ম পরিহিত শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে প্রতিটি শিক্ষাঙ্গন। শুরু হয়েছে শ্রেণীকক্ষে সশরীরে পাঠদান। অনেকটা উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। চিরচেনা দৃশ্যের দেখা মিলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে।

রোববার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, উৎসাহ ও উদ্দীপনা নিয়ে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করছে।

তাদের পরনে সেই চিরচেনা স্কুল ড্রেস, কাঁধে বইয়ের ব্যাগ। তবে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুখে মাস্ক পরিধান করে স্কুলে এসেছে তারা।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনার রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৭ই মার্চ বন্ধ করা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরপর মোট ২৩ দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়।

স্কুলে শিক্ষার্থী, ফুল-চকলেটে বরণ

করোনা মহামারির কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর খুলে দেওয়া হয়েছে।

ক্লাস শুরুর প্রথমদিনে শিক্ষার্থীরা সকাল থেকেই স্কুলে ভিড় জমান। তাদের সঙ্গী হন অভিভাবকরাও। দীর্ঘদিন পর প্রিয় ক্যাম্পাসে বন্ধুদের পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দে মেতেছেন।

প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন পর শিক্ষাকার্যক্রম শুরুর প্রথমদিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছিল সাজ সাজ রব। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছেন ফুল ও চকলেট দিয়ে।

রংপুর প্রতিনিধি জানান, সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলের জন্য নির্ধারিত ড্রেস পরে স্কুলে আসতে শুরু করে। করোনা মহামারির কারণে অ্যাসেম্বলি না থাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে একজনের পর একজন করে শিক্ষার্থী স্কুলের প্রধান গেট দিয়ে প্রবেশ করে। এদিন অনেক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিভাবকরাও এসেছেন।

প্রবেশপথে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মাস্ক পরেছে কিনা তা যাচাই করে স্কুলে প্রবেশ করান। সকাল সাড়ে ৯ টায় ঘণ্টা বাজিয়ে ক্লাস শুরু হয়। শ্রেণি শিক্ষকরা ক্লাসে এসে প্রথমে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে রোল কল করেন। এরপর যথারীতি পাঠদান শুরু হয়।

দীর্ঘ দেড় বছর পর স্কুলে আসতে পেরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিল উচ্ছ্বাস। তবে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে কিনা, তা নিয়েও তাদের মধ্যে শঙ্কা ছিল।

নগরীর শালবন আরসিসিআই স্কুলের শিক্ষার্থী সালেহা বেগম জানায়, স্কুল বন্ধ থাকায় লেখাপড়ার তেমন চাপ ছিল না। ক্লাসের পড়া মুখস্ত করে যেতে হবে এমন কোনও বাড়তি চাপ ছিল না। একই কথা জানালেন অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আসিফসহ অনেকে। তবে আবারও তাদের নতুন করে শিক্ষাজীবন শুরু করতে পেরে খুবই খুশি তারা।

এদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আফসানা রহমান জানান জেলার আড়াই হাজার সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও কলেজে এবং কিন্ডার গার্টেনে এক যোগে ক্লাস শুরু হয়েছে।

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানান, নানা আয়োজনে ও উৎসবমুখর পরিবেশে জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছে। সকালে মহানগরীর সরকারি বিদ্যাময়ী বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বরণের আয়োজন ছিল একেবারেই অন্যরকম। শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়া, তাপামাত্রা মাপা, স্যানিটাইজ করার পর প্রবেশ করানো হয়। এসময় তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ ধরনের আয়োজনে খুশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

মহানগরীর অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানেই ছিল শিক্ষার্থীদের বরণের নানা উদ্যোগ। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা বলছেন, ঈদের আনন্দের মতোই উচ্ছ্বাসে ভাসছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস চালানোর সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানান তারা।

শিক্ষা কর্মকর্তার দফতর সূত্রে জানা যায়, আজ ময়মনসিংহ জেলার সাড়ে তিন হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

যশোর প্রতিনিধি জানান, দীর্ঘদিন পর স্কুল খুলে দেওয়ার প্রথমদিনে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছিল সাজ সাজ রব। স্কুল ও গেট সাজানো হয়েছে রঙ-বেরঙের ফুল দিয়ে। শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে স্কুল কর্তৃপক্ষ টাঙিয়েছেন ব্যানার।

স্কুল খুলে দেওয়ায় যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী আফসানা আহমেদ ফারিন বেশ উৎফুল্ল। বন্ধুদের সঙ্গে প্রায় দেড় বছর পর তার দেখা হয়েছে। ফারিন বলেন, খুব সকালে এসে স্কুলের ডেকোরেশন দেখে খুব ভালো লেগেছে। গেটের পাশে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই থার্মাল মেশিন দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মেপেছেন শিক্ষকরা। আবার হাত স্যানিটাইজ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর গোলাপ ফুল ও চকলেট দিয়ে আমাদের বরণ করা হয়।

সকাল ঠিক সাড়ে সাতটার দিকে স্কুলে প্রবেশ করেন যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান। তার আগেই সেখানে উপস্থিত হন যশোর জেলা শিক্ষা অফিসার একেএম গোলাম আযম। আর আগে থেকেই গেটে দাঁড়িয়ে সবকিছু তদারকি করছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা লায়লা শিরীন সুলতানা। স্কুলের প্রভাতী শাখার বাচ্চারা সকাল ৭টা থেকেই স্কুলে আসতে শুরু করে।

অনেক শিক্ষার সঙ্র্থীগে অভিভাবকদের দেখা গেছে। বাচ্চারা খুব খুশি হলেও শঙ্কা কাটছে না তাদের। স্কুল গেটের পাশে থাকা কয়েকজন অভিভাবক বলেন, বহুদিন পর স্কুল খুলেছে, তাতে বাচ্চারা খুশি। কিন্তু শঙ্কার কথা হচ্ছে, তারা সবাই মাস্ক পরে থাকবে কিনা। বন্ধুদের সঙ্গে কাছাকাছি হবে, কথা বলবে- হাত ধরাধরি করবে! এতে করে সংক্রমণের একটা ঝুঁকি থেকেই যায়।

যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষিকা লায়লা শিরীন সুলতানা বলেন, আমরা সরকারি নির্দেশনা মেনে স্কুল খুলেছি। এরআগে গোটা স্কুল ক্যাম্পাস, ক্লাস রুম, বাচ্চাদের কমন রুম, টয়লেট- সবকিছুই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। যাতায়াতের রাস্তায় দূরত্ব ঠিক রাখতে মার্কিং করা হয়েছে, ক্লাস রুমে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্কুলে পর্যাপ্ত স্যানিটাইজ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাচ্চাদের সঙ্গে সঙ্গে আমরা শিক্ষকরাও খুব খুশি স্কুল খুলতে পেরে। আশা করছি, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারবো। আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকবে না। তিনি বলেন, ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত, প্রাইমারি লেবেলে পঞ্চম শ্রেণি এছাড়া অন্য ক্লাসের বাচ্চাদের একদিন করে ক্লাস নেওয়া হবে।

জেলা শিক্ষা অফিসার এ কে এম গোলাম আযম বলেন, জেলার ৫২৭ টি স্কুলে যাতে নিয়মিত মনিটরিং চলে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমি নিজে ১০টি স্কুল মনিটরিং করবো। এছাড়া আমাদের অন্য কর্মকর্তারাও ১০টি থেকে শুরু করে ২৮টি স্কুল প্রতিদিন মনিটরিং করবেন।

বরিশাল প্রতিনিধি জানান, জেলার বিভিন্ন স্কুলের গেটে শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা পরিমাপ করে প্রবেশ করাতে দেখা গেছে। একইসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাস্ক ছিল বাধ্যতামূলক। তবে অভিভাবকদের নিষেধ করার পরেও স্কুলের বাইরে তাদের জটলা করতে দেখা গেছে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধির কোনও বালাই ছিল না।

সরকারি বরিশাল জিলা স্কুলের গেট থেকেই শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হয়। এরপর স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া শেষে তারা শ্রেণিক্ষে যায়। সেখানে একটি বেঞ্চে দুই জন করে শিক্ষার্থীকে বসতে দেওয়া হয়। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় ক্লাস। একইভাবে সরকারি বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও প্রবেশের ক্ষেত্রে ছাত্রী ছাড়া কোনও অভিভাবকদের ছাড় দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র ছাত্রীরাই ক্যাম্পাসে ঢুকতে পেরেছেন। হালিমা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গেট থেকেও শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা মেপে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করানো হয়। এরপর হাত ধোয়া ও স্যানিটাইজ শেষে ক্লাস রুমে যান শিক্ষার্থীরা। এভাবে প্রতিটি স্কুলের গেটে সকাল ৮টা থেকেই ছিল অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ভিড়।

জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম ও হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম ফখরুজ্জামান বলেন, বারবার নিষেধের পরেও অভিভাবকরা আসায় কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ক্যাম্পাসের ভেতরে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। স্কুলের ভেতরে সরকারের দেওয়া সব নির্দেশনা মানা হয়েছে।

সিলেট প্রতিনিধি জানান, করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধের পর খুলে যাওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনন্দে মেতেছেন শিক্ষার্থীরা।

আখালিয়া প্রাইমারি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির জালাল উদ্দিন বলেন, অনেকদিন পর স্কুল খুলেছে নতুন পোশাক আর নতুন স্কুল ব্যাগ নিয়ে স্কুলে এসেছি। খুবই ভালো লাগছে অনেকদিন পর বন্ধুদের সাথে দেখা হয়েছে।

অগ্রগামী বালিকা স্কুলের শিক্ষার্থী ঝুমা বেগম বলেন, এতদিন স্কুল বন্ধ থাকায় দমবন্ধের উপক্রম হয়ে আসছিল। স্কুলে আসতে পেরে ভালো লাগছে।

খুলনা প্রতিনিধি জানান, টানা দেড় বছর পর জেলার দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রিয় প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে খুবই খুশি শিক্ষার্থীরা। স্কুলে স্কুলে ফুল দিয়ে বরণ করা হয় তাদের।

খুলনার সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ৯টায় শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। এ স্কুলে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। আম্পান ইয়াসে বিধস্ত কয়রার সুন্দরবন বালিকা বিদ্যালয়েও শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক খায়রুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৯টায় শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসা মাত্রই লাল গোলাপ দিয়ে বরণ করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিরাপদ দূরত্বে থেকে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাত ধুয়ে ক্লাস রুমে প্রবেশ করে। তারা খুবই উচ্ছ্বসিত।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, খুলনায় এক হাজার ১৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৪২০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে মহানগরে ১৫৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বাকিগুলো জেলার ৯টি উপজেলায় অবস্থিত।

অপরদিকে, খুলনার ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজের আওতায় রয়েছে। এ স্কুলগুলো হলো কাজী আব্দুল বারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টিএন্ডটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জহিরউদ্দিন গণবিদ্যাপীঠ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাউজিং (৩-তলা) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাজি আব্দুল মালেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শের-এ-বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুটপাড়া ভয়েজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কয়লাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের ক্লাস পার্শ্ববর্তী স্কুলে নেওয়া হয়।

মোংলা প্রতিনিধি জানান, প্রায় দেড় বছর পর মোংলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা নতুন ড্রেস পরে অভিভাবকদের হাত ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়। শ্রেণি কার্যক্রম প্রস্তুতি ছাড়াও শিক্ষার্থীদের বরণ করতে সাজানো হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শ্রেণিকক্ষ।

মোংলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে গেল বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়। সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় সারাদেশের মতো মোংলায় প্রথম ধাপে ৭২টি প্রাথমিক, ২৮টি মাধ্যমিক, চারটি উচ্চ মাধ্যমিক ও ১৩টি মাদ্রাসা খুলেছে।